তথাকথিত 'ডিপ ফেইক' প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে সহজেই অডিও ও ভিডিও কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্য নকল তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কৌশল ব্যবহার করে।
কিন্তু বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির দ্বার যেখানে অবারিত খোলা সেখানে শিশুদের কীভাবে ভুল তথ্য থেকে রক্ষা করা যায়?
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এই মধ্যে এক খোলা চিঠিতে অনলাইনে ভুল তথ্য শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর অন্যতম বলে উল্লেখ করেছে ।
চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা বলা হয়েছে, শিশুদের বেশিরভাগই বেড়ে উঠবে ভুল তথ্য মিশ্রিত ডিজিটাল পরিবেশের বাসিন্দা হিসেবে।
ঢাকার ধানমন্ডিতে থাকেন নাসরিন জাহান। তার সন্তানের বয়স আট বছর।
তিনি বলছিলেন, তার সন্তানকে ভুল তথ্য থেকে রক্ষা করার জন্য তিনি একটা উপায় বের করেছেন।
মিজ নাসরিন বলছিলেন "ইউটিউবে আমার যে অ্যাকাউন্ট সেটা বাচ্চাকে ব্যবহার করতে দেই না। কারণ আমি যে ভিডিওগুলো দেখি সেটা তার জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সেজন্য আমার মোবাইলে জি-মেইলে তার জন্য আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছি"।
তিনি বলছিলেন " ঐ ইউটিউব অ্যাকাউন্টে আমার বাচ্চার দেখার উপযোগি ভিডিও সার্চ দিয়ে রেখেছি। আর একবার কোন বিষয় বা কন্টেন্ট সার্চ দিলে অটোমেটিক রিকমেন্ডেশন আসতে থাকে সেই বিষয় বা তার আশেপাশের বিষয় সম্পর্কে"।
![]() |
| শিশুদের সাথে করা সম্পুর্ন ভূল কাজগুলো কি কি? |
- সন্তান ভবিষ্যতে কি হবে তার লক্ষ্য ঠিক করে দেয়া
- খাবারের যত্ন না নেয়া
- অভাব বুঝতে না দেয়া
- বেত দিয়ে আঘাত করা
- অশ্লিল ভাষা ব্যাভার করা
- যা চায় তাই দেয়া
- অন্যায় কাজে বাধা না দেয়া
- নিয়মানুবর্তিতা চর্চা ন করানো
- ভাল-মন্দ ঠিকভাবে না বোঝানো
- মোবাইল/টিভি আসক্তি করানো
- ভাল আচরণ প্রশিক্ষণ না দেয়া
- নৈতিকতা শিক্ষা না দেয়া
- সামাজিকতা না শেখানো
- অতিরিক্ত চাপে রাখা
- তাদের সামনে ঝগড়া করা
- সামনে ধুমপান করা
- ইসলামি শিক্ষা না দেয়া
- প্রতিদিন এর উন্নতি খেয়াল না রাখ
- নকল বা ভুল জিনিস এ অভ্যস্ত করা
