নৈতিক পরিবর্তনের ভিত্তি কি কি?

যদি পরিবারের আবেগময় অবস্থা খোলামেলা হয়, সেখানে শিশু তার আবেগ সহজেই প্রকাশ করতে পারে, সেই পরিবারের ছেলে-মেয়েরা দায়িত্বর্শীল হয় তার মধ্যে স্বতস্ফূর্ততা থাকে এবং তারা সব বুঝে তা সহজেই অপকটে প্রকাশ করতে পারে

শিশুর নৈতিক পরিবর্তন


সুতারং শিশুরা যেন সুষ্ঠুভাবে বিকাশ লাভ এবং সুস্থ জীবন-যাপন করতে পারে তাই নিচের বিষয়গুলোর প্রতি পিতা-মাতা এবং অভিভাবক তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি

 

) পরিবারের পিতামাতার সুসম্পর্ক রেখে চলতে হবেপিতা মাতার কথায় যেন নেতিবাচক না হয়ে ইতিবাচক হয়ছেলে-মেয়ের চালচলন রীতিনীতি এক থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে শিক্ষা দিতে হবেমনে রাখতে হবে এই বয়সে তাদেরকে যা শিখানো হবে তাই তারা রপ্ত করবে

 

) ছেলে-মেয়েদেরকে অতিশাসন কিংবা সোহাগ থেকে বিরত থাকতে হবেপিতা-মাতা তাদের স্কুলে আসা-যাওয়া সর্বদা মনিটরিং করতে হবেশ্রেণির কাজ এবং বাড়ির কাজ ভালো ভাবে করলো কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে

 

) ভালো বন্ধুদের সাথে চলা ফেরা করে কি না বিদ্যালয় গিয়ে করণীয় দিক কি এবং বর্জনীয় দিক কি তা পিতা-মাতা বা অভিভাবক ঠিক করে দিতে হবে

 

) বিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং শ্রেণি কক্ষে বসে শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার পরামর্শ শিশুকে বুঝিয়ে দিতে হবে

 

) পিতামাতাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে একজন শিশু বিদ্যালয়ে গিয়ে মাত্র - ঘণ্টা শিক্ষাকের সান্নিধ্য বা বিদ্যালয়ে থাকেবাকি সময় শিশু বাসার বাড়িতে থাকেএই স্বল্প সময়ে শিশুেেক সব কিছুতে পারদর্শী করে তোলা সম্ভব নয়শিশুর প্রথম শিক্ষাক্ষেত্র হলো পরিবারপরিবার থেকে যা শিখে স্কুলে এবং পরবর্তী জীবনে তার প্রতিফলন ঘটে সুতারং শিশু যেন একজন প্রকৃত মানুষ হিসাবে গড়ে উঠে পরিবারকেই তার প্রতি বিশেষ নজর দিয়ে চালাতে হবে

 

মনে রাখতে হবে, পরিবার হলে শিশুর শিক্ষার আগাশিক্ষার এই আগা ভেঙে গেলে শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশিতাই অভিভাবক, পিতা-মাতা, শিক্ষক সবাই সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে শিশুকে ভবিষ্যৎ দিক নিদের্শনার দিকে চালিত করা উচিত

 

পরিবার একজন শিশুকে সমাজের কাছে পরিচিতি করে তোলেশিশুর আচরণের উপর পরিবারের সাংস্কৃতিক ধারণার প্রভাব সুস্পষ্টপরিবারের আর্থসামজিক অবস্থান, সমাজিক শ্রেণি, পারিবারিক কাঠামো ইত্যাদি শিশুর আচরণ অনুধ্যানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেশিশুর সুষ্ঠু বিকাশে পরিবারের প্রভাব সম্পর্কে বিগত দশকগুলোতে অনেক লেখালেখি হয়েছে